কাঠের ঘোড়া

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় কাঠের ঘোড়া ,যা বিভিন্ন মাধ্যমের শিল্পকর্ম অধ্যায় এর অন্তর্ভুক্ত।

কাঠের ঘোড়া

পুতুল ও পাখির মতো খুব সহজেই একটি ঘোড়া তৈরির চেষ্টা করি। ঘোড়ার জন্য ২ সেমি. পুরু, ১০ সেমি. চওড়া ও ১৬ সেমি. লম্বা এক টুকরো নরম কাঠ নিই। কাঠের দুপিঠ ঘষে মসৃণ করি।

কাঠের সমান মাপের কাগজের ওপর ছবি দেখে অনুরূপ একটি ঘোড়ার ছবি আঁকি। কার্বন কাগজ দিয়ে কাঠের ওপর ঘোড়ার ছবির ছাপ তুলি। ছাপের রেখা বরাবর ‘ফ্রেট-স্য’ দিয়ে কেটে ঘোড়াটি আলাদা করে ফেলি। ছবিতে ঘোড়ার নির্মাণ- কৌশলের পর্যায়গুলো ক্রমানুসারে দেখানো হয়েছে।

 

চারু ও কারুকলা

 

ক্রমান্বয়ে এক একটি পর্যায়ের ছবি মন দিয়ে দেখি এবং তা অনুসরণ করে প্রয়োজনমতো সোজা ও বাঁকা মুখের বাটালি দিয়ে ঠেলে ঠেলে একটু একটু করে কেটে কিছুটা গোলাকৃতি করি।

তারপর ঘোড়ার কেশরের অংশটি দুপিঠ থেকে কেটে কেটে পাতলা করে আধা সেন্টিমিটারের কাছাকাছি নিয়ে আসি। কান দুটি বাস দিয়ে কেশর পাতলা করব। লেজের অংশটি কেটে পাতলা করে এক সেন্টিমিটারে করব। মাথার কপালের দিকটা পুরু থাকবে কিন্তু মুখের দিকটা কিছু পাতলা হয়ে যাবে।

মুখের নিচে গলার দিকটা মুখের থেকে সামান্য পাতলা ও কিছুটা গোলাকৃতি করি। সামনের দুটি পা বোঝাবার জন্য পায়ের অংশের দুপিঠে সামান্য বীজ কেটে দিই। পেছনের পা দুটির জন্যও তা-ই করি।

 

কাঠের ঘোড়া

 

 

কান দুটির মাঝখানটা কেশরের সীমারেখা পর্যন্ত সামান্য কেটে আলাদা করে দিই। যখনই যেখানে কাটৰ দুপিঠ থেকে সমানভাবে কাটব, তাহলে ঘোড়া যে পাশ থেকেই দেখি না কেন দুপাশ সমান দেখব।

১ সেমি. পুরু, ৫ সেমি. চওড়া ও ১১ লেমি, লম্বা এক টুকরো কাঠের ওপর চারপাশে সমান জায়গা ছেড়ে ঘোড়াটিকে দাঁড় করিয়ে নিচ দিক থেকে সামনের ও পেছনের পা বরাবার স তারকাটা মেরে আটকিয়ে দিই।

 

কাঠের ঘোড়া

 

এখন ঘোড়াটিকে দেখানেই রাখি না কেন সামান্য নড়াচড়াতেও পড়ে যাবে না। শিরীষ কাগজ দিয়ে ঘষে ঘোড়াটিকে মসৃণ করে চাইনিজ লেকার কিংবা এনামেল রং দিয়ে আমার পছন্দমতো রং করে নিই।

 

আরও দেখুনঃ

Leave a Comment